We are making major changes to this site. Reach us if you are facing any issue by clicking on Report. Contact US!

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্সের জিপিএ ও সিজিপিএ গণনা করার নিয়ম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিজিপিএ নির্ণয়

গতকাল প্রকাশিত হলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯ সালের অনার্স ১ম বর্ষের ফলাফল। গত পোস্টে আপনাদেরকে দেখিয়েছিলাম কিভাবে অনার্সের ফলাফল হাতে পাবেন। পোস্টটি এখান থেকে পড়তে পারবেন :)। অনেকে মেসেজ করে জানতে চেয়েছিলেন " জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিজিপিএ কিভাবে গণনা করতে হয়?" তো তাদের জন্য এই পোস্টটি লিখলাম। এই পোস্টে আমি চেস্টা করলাম সবচেয়ে সহজে ধাপে ধাপে কিভাবে জিপিএ ও সিজিপিএ নির্ণয় করবেন। (আপডেটঃ পোষ্টের শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স সিজিপএ ক্যালকুলেটর দেওয়া হয়েছে)


জিপিএ নির্ণয়

১. তো, সবার আগে আপনার ফলাফলটি সামনে নিন। আমি নিচে একজনের ফলাফল ডেমো হিসেবে ব্যবহার করলাম।

২. এবার উপরে দেখুন, রেজাল্টের শেষের কালামে Ltr. Grade বা লেটার গ্রেড দেওয়া রয়েছে। আপনাদের জানতে হবে কোন লেটার গ্রেডে কত পয়েন্ট। নিশ্চয় আপনাদের জানা আছে এটি, আর না জানা থাকলেও সমস্যা নেই। নিচের ছবিটি থেকে দেখে নিন কোন লেটার গ্রেডে কত পয়েন্ট।

এবার উপরের চিত্র অনুযায়ী একটি খাতায় লিখে নিন কোন সাবজেক্টে কত পয়েন্ট পেলেন। যেমন: উপরের ফলাফলের জন্য গ্রেড পয়েন্ট যথাক্রমে - ২.৫০, ৩, ৩, ০, ২, ৩, ৩.২৫ ও ২.৫০।

৩. আপনার ফলাফলে আরও একটি কলাম দেখতে পাবেন "Credit" নামে অর্থাৎ কত নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এখানে যত নম্বর আছে তাকে ২৫ দ্বারা ভাগ করলে ক্রেডিট সংখ্যা পাবেন। অর্থাৎ, ৫০ নাম্বারের পরীক্ষায় ২, ৭৫ নম্বরে ৩ ও ১০০ নম্বরে ৪ ক্রেডিট ধরতে হবে

৪. এবার আপনার কোনো বিষয়ে প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্টকে ঐ বিষয়ের ক্রেডিট সংখ্যা দ্বারা গুন করতে হবে, তাহলে আপনাদের সিকিওরড গ্রেড পয়েন্ট বের হবে। যেমন ধরুন আপনি স্বাধীন বাংলার অভ্যুদয়ের ইতিহাস পরীক্ষায় ১০০ নম্বরে লেটার গ্রেডে C+ পেয়েছেন। এখন C+ মানে ২.৫০ গ্রেড পয়েন্ট আর স্বাধীন বাংলার অভ্যুদয়ের ইতিহাস পরীক্ষার নম্বর ১০০ বা ৪ ক্রেডিট । তাই আপনাদের ২.৫০ কে ৪ দ্বারা গুন করতে হবে, তাহলে পাবেন ২.৫০*৪ বা ১০ যা প্রাপ্ত সিকিওরড গ্রেড পয়েন্ট। এভাবে সকল বিষয়ের সিকিওরড পয়েন্ট বের করতে হবে। তাহলে আমাদের ডেমো রেজাল্টের প্রাপ্ত PS -গুলো হলো (PS- Point Secured) যথাক্রমে - ১০, ১২, ১২, ০, ৬, ৯, ৯.৭৫ ও ৭.৫০। এবং মোট সিকিওরড পয়েন্ট হবে =(১০+১২+১২+০+৬+৯+৯.৭৫+৭.৫০) বা ৬৫.২৫।

৫. আমাদের কিন্তু মোট ক্রেডিট সংখ্যাও জানতে হবে। এজন্য প্রত্যেক বিষয়ের ক্রেডিট সংখ্যার যোগফল বা সমষ্টি করে নিতে হবে। ডেমো রেজাল্টের ক্ষেত্রে মোট ক্রেডিট সংখ্যা হবে - (৪+৪+৪+০+৩+৩+৩+৩) বা ২৪। কোনো বিষয়ে ফেল থাকলে সে বিষয়ের ক্রেডিট সংখ্যা বাদ দিয়ে যোগ করতে হবে । আপনি চাইলে পরীক্ষার মোট নাম্বারকে ২৫ দ্বারা ভাগ করলেও মোট ক্রেডিট সংখ্যা পাবেন। তবে আবারও বলছি, কোনো বিষয়ে ফেল থাকলে সে বিষয়ে ফেল থাকলে সে বিষয়ের মোট নাম্বার বাদ দিয়ে দিতে হবে বা শূন্য ধরতে হবে। যেমন- (১০০+১০০+১০০+০০+৭৫+৭৫+৭৫+৭৫)/২৫ = ৭০০/২৫ বা ২৪ :)

৬. এবার সিকিওরড গ্রেড পয়েন্টকে পাসকৃত বিষয়ের ক্রেডিট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে জিপিএ পাবেন। ডেমো ফলাফলে প্রাপ্ত জিপিএ ৬৫.২৫ ÷ ২৪ = ২.৭১।

সিজিপিএ হিসেব

ওয়েইট!!! আমি তো সিজিপিএ গণনা করতে চেয়েছিলাম, জিপিএ না। হ্যাঁ, অনেকে ব্যাপারটি ধরে ফেলেছেন আবার অনেকে ধরতে পারেন নি। জিপিএ (GPA- Grade Point Average) বলতে বুঝায় এক বছরে আপনার প্রাপ্ত গড় গ্রেড পয়েন্ট কত আর সিজিপিএ (CGPA- Cumulative Grade Point Average) বলতে বুঝায় আপনার ৪ বছরের কোর্সের গড় জিপিএ কত। কোনো বিষয়ে ফেইল থাকলে সিজিপিএ গণনা করা যায় না। অর্থাৎ এতক্ষণ আমরা সিজিপিএ নয়, বরং জিপিএ নির্ণয় করেছি। সিজিপিএ নির্ণয় করার জন্য ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ বর্ষের সিকিওরড পয়েন্ট (PS) এর যোগফলকে ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ বর্ষের সর্বমোট ক্রেডিট সংখ্যা দ্বারা ভাগ করতে হবে। যেমন -

কোন ক্লাস/শ্রেণি পেয়েছেন?

জিপিএ/সিজিপিএ ছাড়াও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধা মূল্যায়ন করতে ক্লাসও ব্যবহৃত হয়। মোট তিনটি ক্লাস রয়েছে, ফার্স্ট ক্লাস, সেকেন্ড ক্লাস ও থার্ড ক্লাস বা ১ম, ২য় ও ৩য় শ্রেণি। জিপিএ/সিজিপিএ ৩ পয়েন্টের উপর হলে ফার্স্ট ক্লাস, ৩ পয়েন্টের নিচে কিন্তু ২.২৫ এর উপরে হলে সেকেন্ড ক্লাস এবং ২.২৫ এর নিচে হলে থার্ড ক্লাস বলে ধরে নেওয়া হয়। আমাদের জিপিএ নির্ণয়ে ব্যবহৃত ফলাফলটি সেকেন্ড ক্লাস পেয়েছে।

সচরাচর জিজ্ঞেস করা হয়

জিপিএ (GPA- Grade Point Average) বলতে বুঝায় এক বছরে আপনার প্রাপ্ত গড় গ্রেড পয়েন্ট কত আর সিজিপিএ (CGPA- Cumulative Grade Point Average) বলতে বুঝায় আপনার ৪ বছরের কোর্সের গড় জিপিএ কত।
জিপিএ ৩ বা এর উপরে হলে অর্থাৎ ৬০ শতাংশ বা এর বেশি নাম্বার পেলে ফার্স্ট ক্লাস/ প্রথম শ্রেণি হিসেবে ধরা হয়।
জিপিএ ৩ এর কম কিন্তু ২.২৫ এর বেশি হলে সেকেন্ড ক্লাস বা দ্বিতীয় শ্রেণি ধরা হয়।
পাশকৃত পরীক্ষার্থীর জিপিএ ২.২৫ এর কম হলে থার্ড ক্লাস বা তৃতীয় শ্রেণি ধরা হয়।

এরপরও যদি আপনাদের অসুবিধা হয় জিপিএ গণনা করতে তাহলে কমেন্ট সেকশনে জানাতে পারেন। তাহলে আমি টেক লিজন বিডিতে টুলস সেকশনে NU GPA Calculator যুক্ত করে দিবো।

আপডেটঃ আপনাদের সুবিধার্থে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স জিপিএ ক্যালকুলেটর তৈরি করেছি আমরা, যা এইখান থেকে ব্যবহার করতে পারবেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জিপিএ গণনার নিয়ম, অনার্স, how to calculate cgpa/gpa, nu gpa calculator, সিজিপিএ গণনার নিয়ম।

আশা করি পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে, বুঝতে অসুবিধা হলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন। আমাদের ফেসবুক পেজ

About the Author

Hey there! I'm Munna, a Web Designer, Graphic Designer as well as a Content Creator. I love to Redesign and create interesting things.

إرسال تعليق

All Posts are Protected By DMCA Reproduction in Any Form is Strictly Prohibited!

DMCA.com Protection Status

© Advance UI ‧ All rights reserved.

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.