![]() |
| How to Create Quality Backlinks |
নতুন ব্লগাররা একটি বিষয়ে চিন্তিত থাকেন যে, ব্যাকলিংক কি? এবং কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরী করবো?আমরা যারা ব্লগিং করি,তাদের জন্য ব্যাকলিংক গুরুত্বপূর্ণ।কারণ,আমাদের ব্লগে ভিজিটর আসে গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে।আমরা যদি আমাদের ব্লগে অধিক পরিমাণে ভিজিটর পেতে চাই,তবে ব্যাকলিংক তৈরী করা গুরুত্বপূর্ণ।
কোয়ালিটি সম্পন্ন ব্যাকলিংক আমাদের ব্লগের Domain Authority বাড়াতে সাহায্য করে।অধিক Domain Authority ওয়ালা ওয়েবসাইট Google Search ইঞ্জিনে ভালো পজিশনে র্যাঙ্ক করে থাকে।অধিক DA সম্পন্ন ওয়েবসাইটকে গুগল ভালো চোখে দেখে।ব্যাকলিংক বেশি হলে ডোমেইন অথরিটি বেশি হয়।কম ডোমেইন অথরিটি ওয়েবসাইটের থেকে বেশি অথরিটি ওয়েবসাইটের পোস্ট গুগল ফার্স্ট পেজে র্যাঙ্ক করে থাকে।
ব্যাকলিংক বেশি হলে যেমন ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধি পায় এবং ডোমেইন অথরিটি বেড়ে যায়,ফলে আমাদের ওয়েবসাইটে আসা ভিজিটরের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়।তাই আমাদের ব্লগ থেকে অধিক পরিমাণে ইনকাম করতে চাইলে এবং আমাদের ব্লগে বেশি ভিজিটর ড্রাইভ করতে চাইলে আমাদের ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে।
আমাদের মাঝে যেসব নতুন ব্লগারদের ওয়েবসাইট নতুন হওয়ার কারণে তাদের ব্লগে ভিজিটর আসতেছে না এবং পোস্ট ইনডেক্স হচ্ছে না তাদের জন্য ব্যাকলিংক গুরুত্বপূর্ণ।আমাদের উচিত ব্যাকলিংক তৈরি করা।এতে করে আমাদের ব্লগে ভিজিটর আসা শুরু করবে।একটি ওয়েবসাইটের প্রাণ হলো এর ভিজিটর।ওয়েবসাইটে যদি কোনো ভিজিটর না আসে,তবে সেই ওয়েবসাইটে লেখালেখি করা শুধুই সময় নষ্ট।তাই আমাদের ওয়েবসাইট নতুন হলে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার জন্য এসইও করে ভিজিটর আনতে হবে।এস ই ও এর পরিধি অনেক বিস্তৃত।এর মাঝে আজকের পোস্টে আমি ব্যাকলিংক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
ব্যাকলিংক হলো search engine optimization (seo) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।Backlink অফ পেজ এসইও (off page seo) এর মাঝে পড়ে।যা আমাদের On Page SEO এর পরেই করতে হয় ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করানোর জন্য। যার মাধ্যমে আমরা আমাদের ব্লগে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর ড্রাইভ করতে পারি।ব্যাকলিংক এর সাহায্যে আমাদের ওয়েবসাইটের domain authority বৃদ্ধি করতে পারি।এখন আপনাদেরকে ব্যাকলিংক কি সেটা বুঝিয়ে বলি, সহজ ভাষায় ব্যাকলিংক হচ্ছে অন্য ওয়েবসাইটে আমাদের ওয়েবসাইটের URL (লিংক) অ্যাড করা।এটি করার অনেক মাধ্যম রয়েছে।যেমন : গেস্ট পোস্টিং।
উদাহরণ স্বরূপ : মনে করুন আমার এই পোস্টের ভিতর আপনার ওয়েবসাইটের লিংক অ্যাড করে দিলাম।এতে করে আপনার ব্লগে আপনার ব্লগের একটি লিংক যুক্ত থাকলো,কিছু ভিজিটর এই লিংক থেকে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে।এতে করে আপনি একটি Quality Backlink পেয়ে গেলেন।আর এভাবেই অন্যান্য ওয়েবসাইটে যখন আপনার ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত থাকবে,সেগুলো প্রত্যেকটি লিংক আপনার ওয়েবসাইটের জন্য একেকটি ব্যাকলিংক।
এই ব্যাকলিংক গুলোর মাধ্যমেই Google Bot আপনার ওয়েবসাইটে link juice pass করবে।এতে করে আপনার ওয়েবসাইটের উপর গুগলের ভরসা বৃদ্ধি পাবে।আরেকটি উদাহরণ দেই : আমাদের দেশে মেম্বার/চেয়ারম্যান নির্বাচনের সময় যেমন প্রার্থীকে সবাই ভোট দিয়ে থাকে,যে প্রার্থীর যত বেশি ভোট,সে জয়ী হয়।ঠিক তেমনি আমাদের ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক অর্থাৎ external link যত বেশি হবে।আমাদের ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে (SERP) তত ভালো পজিশনে র্যাঙ্ক করবে।
নিম্নে আমি ব্যাকলিংক কত প্রকার এবং কি কি সে সমন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করবো।চলুন শুরু করা যাক।
ব্যাকলিংক প্রধানত ২ প্রকার। Internal Backlink এবং External Backlink ।
Internal Backlink হলো সেসব লিংক যা আমরা আমাদের ব্লগের ভিতরে তৈরি করে থাকি।অর্থাৎ, আমরা যখন কোনো ব্লগ পোস্ট লিখি,তখন সেই পোস্টের ভিতর আরো কয়েকটি পোস্ট এর লিংক যুক্ত করে দেই।আমাদের ওয়েবসাইটের পোস্টের ভিতর থাকা এই লিংক গুলোই হলো ইন্টারনাল ব্যাকলিংক।
External Backlink হলো সেসব লিংক যা আমরা অন্য ওয়েবসাইটে যুক্ত করে থাকি।অন্যান্য ওয়েবসাইটে থাকা আমাদের ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি লিংক একেকটি এক্সটার্নাল ব্যাকলিংক হিসেবে কাউন্ট হয়।এই এক্সটার্নাল ব্যাকলিংক এর সাহায্যে গুগল বট আমাদের ওয়েবসাইটে link juice pass করে থাকে।এই link juice pass করার মাধ্যমেই আমাদের ওয়েবসাইটের উপর গুগলের বিশ্বাস বৃদ্ধি পায় এবং আমাদের ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধি পায়।এই External Backlink আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ Search Engine Optimization করার জন্য।
এই দুই ধরনের ব্যাকলিংক ছাড়াও ব্যাকলিংক এর আরও কিছু ধরন রয়েছে।যেমন :
Low - Quality links : যখন কোনো spam website , social bookmarking website , low quality website বা harvested website থেকে আমাদের ওয়েবসাইটে ব্যাকলিংক আসে তখন সেটাকে Low Quality Backlink বলে।এসব ব্যাকলিংক আমাদের ওয়েবসাইটের জন্য অনেক ক্ষতিকারক।এসব স্প্যাম ব্যাকলিংক এর কারণে আমাদের ওয়েবসাইটের স্প্যাম স্কোর বেড়ে যায়।স্প্যাম স্কোর বেশি হলে গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে আমাদের ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক হারাতে পারে।
High - Quality Links : যখন কোনো ভালো ওয়েবসাইট থেকে অর্থাৎ অধিক DA , PA রয়েছে এমন ওয়েবসাইট থেকে আমাদের ওয়েবসাইটে ব্যাকলিংক আসে তখন সেটাকে High Quality Backlink বলে।এই High Quality Backlink এর ফলে আমাদের ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধি পায়।
No - Follow Links : যখন এক্সটার্নাল কিংবা ইন্টারনাল ব্যাকলিংক গুলোতে যখন “rel=nofollow” ট্যাগ ব্যবহার করা থাকে,তখন সেগুলোকে Nofollow ব্যাকলিংক বলে।এই nofollow ব্যাকলিংক গুলো আমাদের ওয়েবসাইটের অথরিটি বাড়াতে সাহায্য করে না।কারণ,Google Bot এই ব্যাকলিংক গুলো থেকে link juice pass করে না।
Do - Dollow Backlink : যখন ব্যাকলিংক গুলোতে “rel=nofollow” ট্যাগ ব্যবহার করা হয় না কিংবা “rel=dofollow” ট্যাগ ব্যবহার করা হয় তখন সেটাকে Dofollow Backlink বলে।Dofollow Backlink এর মাধ্যমে গুগল বট link juice pass করে।এসব ব্যাকলিংক আমাদের ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি বাড়াতে সাহায্য করে।যদি ব্যাকলিংক তৈরী করেন,তবে অবশ্যই dofollow ব্যাকলিংক তৈরি করবেন।
এখন হয়তো আপনি ধারণা পেয়েছেন ব্যাকলিংক কি এবং ব্যাকলিংক কত প্রকার ও তাদের ধরন সম্পর্কে।এখন আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কিভাবে নিজের ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করবো
আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য অনেক ভাবেই ব্যাকলিংক বানাতে পারবেন।কিন্তু শুধু ব্যাকলিংক বানিয়ে গেলাম,অ্যাড হয়ে গেলো।ব্যাপার টা এমন না।ব্যাকলিংক বানানোর সময় আমাদের কিছু বিষয়ের উপর অবশ্যই মনোযোগ দিতে হবে।নয়তো স্প্যাম ব্যাকলিংক বানালে তা আমাদের ওয়েবসাইটের জন্য উপকারী হওয়ার চেয়ে ক্ষতি করবে।নিচে কিছু টিপস দিলাম যেগুলো আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিংক বানানোর সময় মাথায় রাখবেন।
কোনো low quality website অর্থাৎ কম Domain Authority ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নিবেন না।যদি পারেন High Domain Authority ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নিবেন।কোয়ালিটি ভালো হলে অল্প ব্যাকলিংক থেকেই Domain Authority অনেক বেড়ে যাবে।কিন্তু low quality ব্যাকলিংক হলে মিলিয়ন মিলিয়ন ব্যাকলিংক তেমন কোনো কাজে আসবে না।
এক সাথে প্রচুর ব্যাকলিংক বানালে সেটাও বরং ক্ষতিকর হবে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য।কারণ,একসাথে অধিক ব্যাকলিংক বানালে গুগল সেগুলোকে স্প্যাম হিসেবে ধরবে।ফলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে র্যাঙ্ক হারানোর সম্ভাবনা থেকে যায়।
ব্যাকলিংক বানানোর জন্য ব্লগ কমেন্ট করে থাকেন অনেকেই,কিন্তু এটি কোনো উপকারী পদ্ধতি নয়।কারণ, এই Blog Commenting ব্যাকলিংক স্প্যাম হিসেবে ধরে গুগল।
ব্যাকলিংক বানানোর একমাত্র উপকারী পদ্ধতি হলো গেস্ট পোস্ট করা।Guest Post করে আপনি আপনার ব্লগের জন্য অনেক কোয়ালিটিফুল ব্যাকলিংক বানাতে পারবেন।গেস্ট পোস্ট করার ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটের ক্যাটাগরি এর ভালো DA , PA ওয়েবসাইট খুঁজে বের করবেন,তারপর তাদেরকে মেইল করে আপনার গেস্ট পোস্ট করার ইচ্ছে প্রকাশ করবেন।এতে করে আপনি Guest Post করে Backlink নিতে পারবেন।অনেকের মনে হয়তো প্রশ্ন জাগতে পারে যে, অন্য সাইট আমাকে ব্যাকলিংক দিবে কেনো?উত্তর হচ্ছে উক্ত ওয়েবসাইট একটি ফ্রি কন্টেন্ট পাবে আর আপনি পাবেন একটি ব্যাকলিংক।
তাহলে আপনি আজকের এই পোস্ট থেকে জানতে পারলেন What is Backlink in Bangla এবং আরো জানতে পারলেন কিভাবে ব্যাকলিংক বানাবো । গুগল সার্চ রেজাল্ট থেকে আমাদের অধিক পরিমাণে ভিজিটর পেতে হলে ব্যাকলিংক বানানোর বিকল্প নেই।যত ভালো কোয়ালিটি ব্যাকলিংক বানাবেন,তত বেশি ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে।বেশি পরিমাণে কোয়ালিটি ব্যাকলিংক থাকলে গুগল আপনার ওয়েবসাইটকে বেশি বিশ্বাস করবে এবং আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট সার্চ রেজাল্ট এর টপ পেজে শো করবে।